যৌবনে যবনিকা পড়ার আগে অশ্বগন্ধার সঙ্গে বন্ধুত্ব করুন
এই গাছ সাধারণত ২ ফুট থেকে ৫ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। গাছের শাখাগুলি গোলাকার এবং চারিদিকে বিক্ষিপ্ত ভাবে ছড়িয়ে থাকে।
পাতাগুলি ২ ইঞ্চি থেকে ৪ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়। এবং আগের দিকটা ক্রমশ সরু দেখা যাই।
পাতায় সরু সরু লোম দেখা যাই। পাতার বোঁটা প্রায় আধ ইঞ্চি মতো লম্বা হয়।
ফুল পাতার বোঁটা থেকে বের হয়। ফুল ছোট হয় - তবে বেশ নরম ও লোমযুক্ত। ফুলের রং সবুজ আভাযুক্ত।
ফল মোটর দানার নোট গোলাকার। পাকার পর লাল রং হয়ে ওঠে
বীজ আকারে খুব কত ওপরের আভরণ মসৃন ও চ্যাপ্টা। শেখরের রং কিছুটা সাদা। কাঁচা অবস্থায় শিকড় থেকে ঘোড়ার গায়ের মতো গন্ধ বের হয় - এই জন্য যায় নাম অশ্বগন্ধা। পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ জেলার জঙ্গলে এই গাছ দেখা যাই।
কোন কোন রোগে ব্যবহার করা হয়
মূলত ৯ টি প্রধান রোগে অশ্বগন্ধা ব্যবহার করা হয় আর সেগুলি হলো
১) ক্ষয় রোগে
২) শোথ রোগে
৩)বাত ও পিত্ত রোগে
৪) শ্বাস রোগে
৫) স্ত্রী সহবাসে তৃপ্তির জন্য
৬)অনিদ্রা রোগে
৭) স্বপ্ন দোষে
৮) আঘাত পেলে ও ফুলে গেলে
৯) শিশুদের রিকেট রোগে
কিভাবে ব্যবহার করা হয়
১) ক্ষয় রোগে :- অশ্বগন্ধার মূল গুঁড়ো করে মধু মিশিয়ে প্রত্যেকদিন ৩ বার করে চেটে খেতে হবে। ১৫ দিনের মধ্যেই আর ফল আপনি বুঝতে পারবেন।
২) শোথ রোগে :- অশ্বগন্ধার মূল গুঁড়ো করে গাওয়া ঘি ও মধু মিশিয়ে সকাল ও বিকেলে দুইবার করে কয়েকদিন খাওয়া উপকারী।
৩) বাত ও পিত্ত রোগে :- অশ্বগন্ধার মূল গুঁড়ো করে তার সঙ্গে তিলের তেল মিশিয়ে সকালে ও সন্ধ্যায় খাওয়া উপকারী।
৪) শ্বাস রোগে :- অশ্বগন্ধার মুখের ক্ষার গাওয়া ঘি ও মধু মিশিয়ে প্রত্যেকদিন ২/৩ বার চেটে খেতে হবে।
৫) স্ত্রী সহবাসে তৃপ্তির জন্য :- অশ্বগন্ধার শুকনো মূল ৮০ গ্রাম গুঁড়ো করে গাওয়া ঘি দিয়ে ভেজে ২০ গ্রাম , এক কাপ দুধে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যাই।